ইসলামে শূকরের গোশ্‌ত হারাম হওয়ার কারণ।

ইসলামে শূকরের গোশ্‌ত হারাম হওয়ার কারণ

লেখকঃ মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ

অনুবাদঃ আবু শুআইব মুহাম্মাদ সিদ্দীক

উৎসঃ ইসলাম হাউস

ইসলাম কেন শূকরের গোশ্‌ত হারাম করেছে, শূকর কি আল্লাহর সৃষ্টি নয়? জনৈক খ্রীষ্টান ব্যক্তির এ প্রশ্নের উত্তরে বলব :

এক.

আল্লাহ তাআলা অকাট্যভাবে শূকরের গোশত হারাম করেছেন। ইরশাদ হয়েছে :

বল, আমার নিকট যে ওহী পাঠানো হয়, তাতে আমি আহারকারীর উপর কোনো হারাম পাই না, যা সে আহার করে। তবে যদি মৃত কিংবা প্রবাহিত রক্ত অথবা শূকরের গোশ্‌ত হয়; কারণ, নিশ্চয় তা অপবিত্র।)[সূরা : আল আনআম/১৪৫]

আর এটা আমাদের প্রতি আল্লাহর রহমত ও সহজিকরণ যে তিনি আমাদের জন্য পবিত্র বস্তুগুলো হালাল করেছেন, পক্ষান্তরে যা অপবিত্র তা করেছেন হারাম। ইরশাদ হয়েছে :

আর তাদের জন্য পবিত্র বস্তুগুলো হালাল করেন এবং অপবিত্র বস্তুগুলো হারাম করেন

[ সূরা: আল আরাফ]

এ বিষয়ে আমাদের বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই যে শূকর একটি নিকৃষ্টঅপবিত্র প্রাণী। এ নিকৃষ্ট প্রাণীর গোশ্‌ত খাওয়া মানুষের জন্য ক্ষতিকর। উপরন্তু, শূকর ময়লা আবর্জনায় জীবনযাপন করে। সুস্থ মেজাজের যে কোনো মানুষ এ বিষয়টিকে ঘৃণা করবে নিঃসন্দেহে এবং প্রত্যাখ্যান করবে খাদ্য হিসেবে শূকর গোশ্‌ত গ্রহণ করতে। কেননা এর দ্বারা মানুষের সুস্থ প্রকৃতি ও তবিয়ত, যা আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন, বিকারগ্রস্তার শিকার হয়।

দুই.

শূকরের গোশত ভক্ষণে মানুষের শরীরস্বাস্থ্য কী ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে আধুনিক মেডিক্যাল বিজ্ঞান তা খুব স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে দিয়েছে, নিম্নে এ জাতীয় কিছু তথ্য উল্লেখ করা হল:

  • অন্যান্য পশুর গোশ্‌তের তুলনায় শূকরের গোশ্‌তে কোলেস্তেরল অধিকমাত্রায় থাকে। আর মানুষের শরীরে কোলেস্তেরল বেড়ে গেলে মানবদেহের শিরাগুলো শক্ত হয়ে যাওয়ার আশংকা বেড়ে যায়। শূকরের গোশ্‌তের গঠনপ্রকৃতি খুবই ব্যতিক্রমধর্মী, অন্যান্য খাবারে তেলজাত এসিড থেকে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন। যে কারণে তা সহজেই শুষণযোগ্য অন্যান্য খাবারের তুলনায়। ফলে রক্তে কোলেস্তেরল বেড়ে যায়।
  • শূকরের গোশত কোলোন, স্তন, ব্লাড ইত্যাদির ক্যান্সার ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা পালন করে।
  • শূকরের গোশত ও তার চর্বি শরীরের মেদ বাড়িয়ে দেয় এবং এমন রোগের আমাদানী করে যা সারিযে তোলা দুষ্কর।
  • শূকরের গোশ্‌ত ভক্ষণ চুলকানি, এলার্জি, গেষ্ট্রিক ইত্যাদি বাড়িয়ে দেয়।
  • শূকরের গোশ্‌ত ভক্ষণ ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা কৃমি, ফুসফুসের কৃমি ও ফুসফুসের মাইক্রোবিক প্রদাহ থেকে জন্ম নেয়।
  • শূকরের গোশ্‌তের মারাত্মক ক্ষতিকর একটি দিক হল, এতে একপ্রকার কৃমি থাকে যা টিনিয়াসলিন নামে খ্যাত, এ কৃমিটি দৈর্ঘে দুই থেকে তিন মিটার। এ কৃমির ডিম্বগুলোর প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ফলাফল এই দাঁড়ায় যে মানুষ পাগল হয়ে যায়, হিস্টেরিয়ায় আক্রান্ত হয় যদি মস্তিষ্কের এলাকায় এগুলোর প্রবদ্ধি ঘটে। হৃৎপিণ্ডের এলাকায় এগুলোর প্রবর্ধন হলে ব্লাডপ্রেসার বেড়ে যায় এবং হার্ট এটাকের ঘটনা ঘটে। শূকরের গোশ্‌তে অন্যান্য আরো যে ওর্ম থাকে তার মধ্যে একটি হল, লোমতুল্য শঙ্খাকৃতির ত্রিকানিলা ওর্ম রন্ধক্রিয়াকে যা প্রতিরোধ করে। আর শরীরে এটার বর্ধন পোলিও এবং চর্মএলার্জি সৃষ্টি করতে পারে।
  • চিকিৎসকগণ বলেন, টেইপ ওর্ম যা শূকরের গোশ্‌ত থেকে জন্ম নেয়, মানুষের শরীরের জন্য খুবই মারাত্মক। এ ওর্ম মানুষের সূক্ষ্ণ পরিপাকতন্ত্রে পরিবর্ধিত হয়, এবং কয়েক মাসের মধ্যে তা দৃষ্টিগ্রায্য আকৃতিতে পৌঁছে যায়, এবং পূর্ণবয়ষ্ক ওর্মের আকৃতি ধারণ করে। এ ওর্মের শরীর প্রায় এক হাজার টুকরো দিয়ে গঠিত এবং তা লম্বায় ৪১০ মিটার। এ ওর্মটি আক্রান্ত মানুষের পাকস্থলীতে একাই বসবাস করে এবং তার ডিমগুলো পায়খানার সাথে বের হয়ে যায়। এই ওর্মটি মানুষের শরীরকে দুর্বল করে তোলে, ভিটামিন বি ১২এর ঘাটতি সৃষ্টি করে, যার ফলে একপ্রকার রক্তশুন্যতা সৃষ্টি হয়। কখনো কখনো বরং স্নায়ুবিক সমস্যাও সৃষ্টি করে, যেমন স্নায়ুর প্রদাহ ইত্যাদি। আবার কখনো এর প্রভাব ব্রেইন পর্যন্ত পৌঁছে যায়, এবং ব্রেইন অস্থিরতার কারণ হয়, অথবা তা ব্রেইনে রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়; ফলে মাথাব্যথা, প্রচণ্ড বেদনা, এমনকী পেরালাইসেস হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
  • খুব ভাল করে সিদ্ধ না করা শূকরের গোশ্‌ত খাওয়ার ফলে চুলাকৃতির কৃমির জন্ম নেয়, যখন এগুলো সূক্ষ্ণ পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে এগুলো থেকে তখন, চার পাঁচদিন পর, বহুল পরিমাণ লার্ভ বের হয় যা পরিপাকতন্ত্রের দেয়ালে এঁটে যায়। সেখান থেকে রক্তে ও শরীরের অন্যান্য তন্ত্রে। অতঃপর সেখানে সৃষ্টি হয় বহু টাক্ট। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রচণ্ড ধরনের আঙ্গিক বেথায় ভোগতে শুরু করে। কখনো কখনো এটা মেনিনজাইটিস প্রদাহ সৃষ্টি করে, মস্তিষ্কের প্রদাহ সৃষ্টি করে, হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের প্রদাহ সৃষ্টি করে, কিডনি ও স্নায়ুকেও আক্রান্ত করে, এমনকী কখনো কখনো মৃত্যুরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
  • কিছু কিছু রোগ আছে, যেগুলো শুধু মানুষেরই হয়ে থাকে, এ রোগে শূকর ব্যতীত অন্য কোনো প্রাণী মানুষের শরিক নয়; যেমন রোমাটিজম ও জয়েন্ট পেইন। আল্লাহ তা’লা কত সত্যই না বলেছেন, ইরশাদ হয়েছে: ‘ নিশ্চয় তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেন মৃত জন্তু, রক্ত, শূকরের গোশ্‌ত এবং যা গায়রুল্লাহ নামে যবেহ করা হয়েছে, সুতরাং যে বাধ্য হয়ে, অবাধ্য বা সীমালঙ্ঘনকারী না হয়ে, (ভক্ষণ করে) তাহলে তার কোনো পাপ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ [সূরা বাকারা: ১৭৩]

এগুলো হল শূকরের গোশ্‌ত ভক্ষণের কিছু ক্ষতিকারক দিক। শূকরের গোশ্‌ত কেন হারাম করা হয়েছে? আমার ধারণা এ প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছেন। সঠিক দ্বীনের পথ পাওয়ার জন্য এটি আপনার প্রথম পদক্ষেপ হবে। অতঃপর ভেবে দেখুন, চিন্তাশক্তিকে কাজে লাগান, বস্তুনিষ্ঠভাবে যাচাই করে দেখুন, সত্যকে আবিষ্কারের জন্য নিজেকে মুক্ত করুন। সত্যকে ধারণ করুন। যা দুনিয়াআখিরাতে কল্যাণবহ তা যাতে লাভ করতে পারেন সে জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন।

আরেকটি কথা না বললেই নয়, আর তা হল, আমরা যদি শূকরের গোশ্‌ত খাওয়ার ক্ষতিকারক দিক কী কী তা যদি নাও জানতাম তা হলেও শূকর হারাম হওয়ার ব্যাপারে আমাদের বিশ্বাসে কোনো চিড় ধরত না। আমাদের ঈমান এতুটুকুন দুর্বল হবার নয়। আদম আলাইহিস সালাম তো বেহেশত থেকে একটি গাছের ফল ভক্ষণের অপরাধে বের হয়ে এসেছেন। কেননা আল্লাহ তা নিষিদ্ধ করেছিলেন। আমরা ওই বৃক্ষ সম্পর্কে কিছুই জানি না। ওই বৃক্ষের ফল কেন নিষিদ্ধ তার কারণ বের করা আদম আলাহিস সালামের প্রয়োজনও ছিল না। তাঁর ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য মুমিনদের ক্ষেত্রে তো এতটুকু জানাই যথেষ্ট যে আল্লাহ তাআলা তা হারাম, নিষিদ্ধ করেছেন।

শূকরের গোশ্‌ত হারাম হওয়ার আরো কারণ জানার জন্য সংগ্রহ করুন: ইসলামী চিকিৎসাশাস্ত্র সম্পর্কে চতুর্থ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণামালা, যা কুয়েত থেকে ছাপা হয়েছে, বিশেষভাবে দ্রষ্টব্য পৃষ্ঠা ৭৩১ এর পর থেকে। আরো সংগ্রহ করুন, ‘ কুরআন সুন্নাহর আলোকে স্বাস্থ্যগত প্রতিরক্ষা, প্রণেতা : লুলুয়া বিনতে সালেহ, ৬৩৫ পৃষ্ঠার পর থেকে।

আমি আবার ফিরে আসছি এবং প্রশ্নকারী খ্রীষ্টান ভদ্রলোককে বলছি:

আপনাদের পবিত্র গ্রন্থের ওল্ডটেস্টম্যান্ট কি শূকর হারাম করা হয় নি? ওল্ডটেস্টম্যান্ট তো আপনাদের বিশ্বাসকৃত বাইবেলের একটা অংশ, তাই নয় কি?

বাইবেলে এসেছে: ‘ প্রভু যেগুলো ঘৃণা করেন সেগুলো তোমরা খেও না। তোমরা অবশ্যই শুয়োর খাবে না। তাদের পায়ের খুরগুলো বিভক্ত, কিন্তু তারা জাবর কাটে না। সুতরাং খাদ্য হিসেবে শুয়োরও তোমাদের গ্রহণযোগ্য নয়। শুয়োরের কোনো মাংস খাবে না। এমনকি শুয়োরের মৃত শরীরও স্পর্শ করো না। [ দ্বিতীয় বিবরণ: ১৪: ]

ইহুদিদের উপর শূকর হারাম হওয়ার ব্যাপারে অধিক উদ্বৃতি প্রদানের প্রয়োজন অনুভব করি না। এ ব্যাপারে যদি আপনার সন্দেহ হয় তবে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। তবে যে ব্যাপারে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই তা হল, আপনাদের পবিত্র গ্রন্থেই তো রয়েছে যে আপনাদের ক্ষেত্রেও তাওরাতের বিধিব্যবস্থা বলবদ রয়েছে। এতে কোনো পরিবর্তন আনা যাবে না। ঈসা মসীহ কি বলেন নি : ‘ ভেবো না আমি মোশির বিধিব্যবস্থা ও ভাববাদীদের শিক্ষা ধ্বংস করতে এসেছি। আমি তা ধ্বংস করতে আসে নি বরং তা পূর্ণ করতেই এসেছি। আমি তোমাদের সত্যি বলছি, আকাশ ও পৃথিবীর লোপ না হওয়া পর্যন্ত বিধিব্যবস্থার বিন্দুবিসর্গও লোপ হবে না, বিধিব্যবস্থার সবই পূর্ণ হবে।’ [ মথি:: ১৭১৮]

উল্লিখিত টেক্সটের পর নিউ টেস্টম্যান্ট থেকে অন্য কোনো উদ্বৃতি প্রদানের আবশ্যকতা আছে বলে মনে করি না। তবুও আমি অন্য একটি টেক্সট উল্লেখ করছি যা শূকরের অপবিত্রতাকে অকাট্যভাবে নির্দেশ করছে।

সেখানে পর্বতের পাশে একদল শুয়োর চরছিল, আর তারা ( অশুচি আত্মারা) যীশুকে অনুনয় করে বলল, ‘ আমাদের ওই শুয়োরের পালের মধ্যে ঢুকতে হুকুম দিন।’ তিনি তাদেরকে অনুমতি দিলে সেই অশুচি আত্মারা বের হয়ে শুয়োরদের মধ্যে ঢুকে পড়ল। [ মার্ক::১১১৩] শুয়োরের নিকৃষ্টতা বিষয়ে আরো পড়ুন, মথি: ৪৭, পিটারের দ্বিতীয় চিঠি: /২২, ও লুক: ১৫:১১১৫ ।

আপনি হয়তো বলবেন, এটা মানসুখ তথা বাতিল বলে ঘোষিত হয়েছে অথবা পিটার এরূপ বলেছেন, অথবা পাউল সেরূপ বলেছেন?!!

হাঁ, এভাবেই আল্লাহর বাণীকে পরিবর্তন করে দেয়া হয়, তাওরাতকে এভাবেই আপনারা বাতিল করে দেন। ঈসা মসীর বাণীকে বাতিল করে দেন, অথচ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় তিনি বলেছেন যে, আকাশ ও পৃথিবীর মতোই তা টিকে থাকবে। এসব কিছুই বাতিল করে দেওয়া হয় পাউল ও পিটারের কথা মতে?!

তিন.

আপনি আপনার প্রশ্নের একাংশে বলেছেন যে আল্লাহ যদি শূকর খাওয়া হারাম করে থাকেন তবে তা সৃষ্টি করলেন কেন? আমার মনে হয় এ প্রশ্নে আপনি সিরিয়াস নন। অন্যথায় আমরা আপনাকে প্রশ্ন করব, তাহলে আল্লাহ অমুক অমুক কষ্টদায়ক অথবা ঘৃণা উদ্রেককারী বস্তু কেন সৃষ্টি করলেন, বরং আপনাকে এ প্রশ্নও করা সংগত হবে যে, বলুন তো আল্লাহ শয়তানকে কেন সৃষ্টি করলেন?

এটা কি সৃষ্টিকর্তার অধিকারে নেই যে তিনি বান্দাদেরকে যা ইচ্ছা তাই হুকুম দিতে পারেন। তিনি তাদের মাঝে যেভাবে ইচ্ছা বিচার ফয়সালা করতে পারেন। তাঁর নির্দেশ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারও নেই। তার বাক্যসমূহ পরিবর্তন করার সাধ্য কারো নেই।

সৃষ্টিজীব তার স্রষ্টিকর্তা রবের যে কোনো নিদের্শ মাথায় পেতে নেবে, এটাই মাখলুকের যথার্থ আচরণ। সে তার রবকে বলবে, হাঁ, শুনলাম এবং আনুগত্যে নিজেকে সঁপে দিলাম।

(আমি মানি, আপনার কাছে ওটা মজাদার হতে পারে, ওটা ভক্ষণের তীব্র আকাঙ্খা তৈরি হতে পারে, কেননা আপনার পাশের লোকজন হয়তো খুব মজা করছে, তবে আপনার উপর জান্নাতের কি এতটুকুন দাবি থাকতে পারে না যে তাতে প্রবেশের জন্য কিছু লোভলালসাআশা পরিত্যাগ করবেন?)

আর্টিকেলটি ডাউনলোড করুন।

Posted on জুন 3, 2012, in হালাল ও হারাম and tagged , , , . Bookmark the permalink. মন্তব্য দিন.

রিপ্লাই

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s