বহুকষ্টে পাওয়া ইসলাম_একটি খ্রীস্টান মেয়ের মুসলিম হওয়ার ঘটনা।

বহুকষ্টে পাওয়া ইসলাম

বাংলায় অনুবাদঃ আবদ্‌ আলআহাদ

উৎসঃ কুরআনের আলো

অনেকেই আমার কাছে আমার ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে জানতে চান এবং আমি তাদেরকে খুব সংক্ষেপেই আমার ঘটনাটা বলে থাকি। কিন্তু আজ আমি আপনাদের সাথে আমার কাহিনীর পুরোটাই শেয়ার করতে চাই কিভাবে আমি এই সত্য ও সুন্দরের ধর্ম ইসলামের সুশীতল ছায়া তলে আশ্রয় গ্রহণ করলাম।

প্রায় আট বছর আগের কথা বলছি; হঠাৎ একদিন এক অদ্ভুত রকমের স্বপ্ন দেখলাম; বিশ্বাস করুন, একেবারেই অদ্ভুত এক স্বপ্ন; স্বপ্নটা কোনভাবেই মেলাতে পারছিলাম না। স্বপ্নটা কতটা অদ্ভুত তা গল্পের বাকিটা পড়লেই বুঝতে পারবেন

ঘটনার প্রথম সূত্রপাত ২০০২ সালেঃ

আ্যকাউনটিং বিষয়ে পড়াশোনা করার জন্য কিছুদিন আগেই আমাকে নিজ শহর ছেড়ে পাশের উপশহরে আসতে হয়েছে। নতুন জায়গা, আশপাশের মানুষরা সব অপরিচিত, নতুন পড়াশোনাসব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল স্কুলের প্রথমদিনটার কথা। প্রথম যেদিন স্কুলে গিয়েছিলাম সেদিনও ঠিক এমনটাই মনে হয়েছিল।

.

কলেজের প্রথম দিন; প্রথম ক্লাস শুরু হয়েছে প্রায় পনেরো মিনিট হল। দেখলাম মেয়েটি ক্লাসে প্রবেশ করল। হয়ত এমনিতেই খুব বেশী মনোযোগ দিতাম না ওর দিকে কিন্তু দিলাম কারন আমি যেখান থেকে এসেছি সেখানে ওর মতো কাউকে দেখিনি কখনো। আর যদিও বা দুই একজনকে দেখা যায় তাদের দিকে মানুষের দৃষ্টি থাকে ঘৃণা আর অবজ্ঞার। মেয়েটির নাম ফাতিমা; লেবাননের মেয়ে; ইসলামি হিজাবে আপদমস্তক ঢাকা।

একটু পরেই শুরু হবে দ্বিতীয় ক্লাস; ক্লাসে ঢুকতেই ফাতিমার দিকে চোখ পড়ল। কেন জানিনা ওর দিকে তাকাতেই মনে হল ও আমার অনেক দিনের পরিচিত কেউ। ওকে জিজ্ঞাস করলাম, তোমার পাশে বসতে পারি?”…সেই যে শুরু বন্ধুত্বের, আলহামদুলিল্লাহ্‌, এতো বছর পরেও আমরা একে অপরের বন্ধু। পুরো কলেজ লাইফে আমরা ছিলাম একেবারে আত্মার আত্মীয়। আমাদের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা দেখে শিক্ষকরা বলাবলি করতেন আমরা সম্ভবত দু’বোন।

কলেজের ঐ বছরগুলোতে আমি নিজে একজন খ্রিষ্টান হওয়া সত্ত্বেও ফাতিমার ধর্মের (ইসলাম) ব্যাপারে ছিলাম চরম আগ্রহী। সেও যতটুকু জানত আমার সাথে শেয়ার করত। দেখতাম ইসলাম সম্পর্কে কথা বলার সময় তার চোখ দুটো কেমন স্পৃহায় ছলছল করে উঠত। আর এই ব্যাপারটি আমাকে খুব নাড়া দিত। কারণ আমিও একটা ধর্মের অনুসারী অথচ আমার মাঝে ঐ ধরনের কোন বিষয় কাজ করতনা। এমনকি মাঝে মাঝে আমরা আন্তঃধর্ম বিতর্কের আয়োজন করতাম যেখানে আমি কথা বলতে গিয়ে প্রায় রেগে যেতাম যখন দেখতাম নিজের ধর্মের অনেক বিষয়ই আমার জানা নেই বা তার করা কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছিনা। তবে ফাতিমার প্রতি ছিল আমার অগাদ শ্রদ্ধাবোধ। আমার এখনও মনে আছে আমি ভাবতাম কি করে ফাতিমা দিনে পাঁচ পাঁচবার করে সালাত আদায়ের জন্য ওজু করত, গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরেও নিজেকে হিজাব পরে ঢেকে রাখত, রমজান মাসে সারাদিন না খেয়ে রোজা রাখত এমন আরো অনেক বিষয়। অথচ নিজেকে একজন ধর্মপ্রাণ খ্রিষ্টান বলে ভাবলেও অনন্ত রবিবার করেও চার্চে যাওয়া হয়ে উঠত না আমার।

আমরা দু’জন দুই ধর্মের হলেও আমাদের জীবন যাত্রার অন্যান্য বিষয়গুলো ছিল একই ধরনের। আমি কখনই ছেলেদের সাথে ঘনিষ্ঠ হতাম না। আর সত্যি কথা বলতে কি, এসব ব্যাপারে স্বাভাবিকভাবেই আমার একধরনের লজ্জাবোধ কাজ করে। তবে যে ব্যাপারটি ফাতিমার জন্য স্বস্তির বিষয় ছিল তা হল আমি কখনই খোলামেলা পোশাক পরতাম না যেটা ফাতিমা আর আমার ভিতর সাদৃশ্যগুলোর অন্যতম। একদিন ফাতিমা আর আমি কলেজের ভিতর দিয়ে হেঁটে দুপুরের খাবারে জন্য আমাদের একটা নির্ধারিত জায়গায় যাচ্ছিলাম। আমরা প্রায় ওখানেই খাই। কিন্তু আজ যখন ওখান দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন একটি ব্যাপার আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করল। জায়গাটার দিকে ভালো করে খেয়াল করতেই মনে পড়ল সেই অদ্ভুত স্বপ্নটার কথা যেটা একবছর আগে কলেজে ভর্তির শুরুতেই দেখেছিলাম।

মনে পড়ে গেল আমি স্বপ্নে দেখেছিলাম আমি যেন একটা হিজাব পরা মেয়েকে আমার ডান পাশে নিয়ে কোথাও হেঁটে যাচ্ছি। আর জায়গাটা ঠিক আজকের এই জায়গা। অন্য কেউ হলে হয়ত স্বপ্নে কি দেখল বা দেখেছিল তা নিয়ে মাথা ঘামাতো না। কিন্তু স্বপ্নের সাথে বাস্তবতার এমন অসম্ভব মিল দেখে আমি একেবারেই হতবাক হয়ে গেলাম। আমার মনে হচ্ছিল আমি আর হাঁটতে পারছিলাম না। হাতপা ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছিল। আমি ফাতিমাকে বললাম, কি আশ্চর্য! এটা কি করে সম্ভব!! আমি তো এটা স্বপ্নে দেখেছি!!” এমন তো নয় যে ফাতিমার আগে আমার মুসলিম কোন বন্ধু ছিল বা আমি কোনভাবে কাউকে চিনতাম। তাহলে না হয় বলতাম তাদের সাথে ঘুরে বেড়িয়েছি আর তাই হয়ত স্বপ্নে দেখেছি। কলেজে ভর্তি হওয়ার আগেও কখনো আমি এই কলেজে প্রবেশ করিনি। অথচ হুবহু আমাদের খাওয়ার সে জায়গাটায় স্বপ্নে দেখেছি। এই বিষয়টিই আমার কাছে বেশী আশ্চর্যজনক মনে হয়েছিল। যাই হোক, অনেকেই হয়ত বলবেন এই আর এমনকি, স্বপ্ন নিয়ে কে আর এতো মাথা ঘামায়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, ঐ স্বপ্ন ছিল আমার জন্য আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট হেদায়াতের নিদর্শন এবং ফাতিমা আর আমার বন্ধুত্ব হল তাঁরই ইচ্ছার প্রতিফলন। ফাতিমার মাধ্যমেই আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীন আমাকে ইসলামের সাথে পরিচিত করালেন।

সেদিনের পর থেকে এক অজ্ঞাত কারনে ইসলামের প্রতি আমার আগ্রহ বহুগুণে বাড়তে থাকে। আমি ফাতিমাকে ইসলাম বিষয়ে অনেক অনেক প্রশ্ন করতে থাকি। লক্ষ্য করি, নিজ ধর্মের প্রতি আমার বিশ্বাস ও আস্থা ক্রমশই ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে যাচ্ছে। আমার নীতি হল আমি যদি কোন বিষয়ে একবার সন্দেহ পোষণ করি এবং নিজেকে প্রশ্ন করে সন্দেহের কোন জবাব না পাই তাহলে ধরে নিই যে আমার সন্দেহ বাস্তব এবং আমার বিশ্বাসে গোলমাল আছে।

আমার সকল সন্দেহের অবসান হল যেদিন ফাতিমা আমাকে আহমেদ দিদাত (রাহিমাহুল্লাহ্‌) এর সাথে খ্রিষ্টান পণ্ডিতদের বিতর্কের কয়েকটি ডিভিডি দিল। দিনটি ছিল সত্যিই আমার জীবনকে বদলে দেয়ার দিন। বিতর্কগুলো দেখার পর আমার অন্তর চক্ষু দিয়ে উপলব্ধি করলাম এতোদিন যে ধর্মকে পুঁজি করে বেঁচে আছি তা আসলে সত্য নয়। আমি দেখলাম কোন একজন খ্রিষ্টান পণ্ডিতও আমার তথাকথিত ধর্মের ব্যাপারে সন্দেহগুলোর সত্য উত্তর দিতে পারেনি। তাহলে আমি কি করে নিজে নিজে আমার সন্দেহ দূর করতে পারি? আমি সত্যিই হতবাক হয়ে গেলাম!! বিশ্বাস করুন, একটুও বাড়িয়ে বলছিনা। ফাতিমার সাথে কথা বলতে বলতে হঠাৎ কেঁদে ফেললাম। আর কাঁদতে কাঁদতেই বাড়ীর দিকে হাঁটতে লাগলাম। আমার বারবার মনে হতে লাগল, সর্বনাশ!! আমি এতদিনকী করেছি!!”

আমি তখন আমার সাবেক বয়ফ্রেন্ডের সাথে থাকতাম। সেও নিজেকে একজন ধর্মপ্রাণ খ্রিষ্টান বলে মনে করত। আমার ভেঙ্গেপড়া দেখে ও আমাকে সান্তনা দিতে লাগল। ও আসলে বোঝাতে চাচ্ছিল যে ফাতিমা ইসলামের ব্যাপারে আমার মগজধোলাই করার চেষ্টা করছে। প্রথমে শুনে আমারও খানিকটা তাই মনে হল। পরের দিন ফাতিমার কাছে গিয়ে বললাম যে আমি আর ধর্ম নিয়ে তার সাথে কোন কথা বলতে চাই না। উত্তরে ফাতিমা যা বলল তা খুবই সহজ!! কি বলল জানেন? ও বলল,তোমার কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেয়া আমার কর্তব্য ছিল। আমি আমার কর্তব্য পালন করেছি। ইসলাম মানবে কি না মানবে সেটা নিতান্তই তোমার ব্যাপার। শেষ বিচারের দিন তুমি আমাকে এই বলে দোষ দিতে পারবে না যে আমি তোমাকে ইসলামের দাওয়াত দেয়নি।”

বেশ কয়েক বছর কেটে গেল। আমি আর ফাতিমা এখনও আগের মতোই ভাল বন্ধু। ইতোমধ্যেই আমি ফাতিমার পরিবারের সাথে অনেক বেশী সময় কাটাতে শুরু করেছি। ফলে ইসলাম সম্পর্কেও আমার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গি আগের চেয়ে অনেক বদলে গেছে। তাদের সাথে থাকতেও আমার ভাল লাগে। তাদের ওখানে নেই কোন মদ্যপানের আসর বা কোনরকম হারাম কাজকর্ম। এখনও মনে হয় ঐ সময়টা ছিল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। আটটি বছর আমি আমার বিশ্বাসের চড়াইউৎরাই দেখলাম। মনে হল যেন আল্লাহ্‌ আমাকে ইসলামের সঠিক পথ দেখানোর আগেই অন্যান্য মিথ্যা পথগুলো ভালভাবে চিনিয়ে দিলেন।

ইসলামে আসার আগে আমার প্রথম পর্যায়টা ছিল অজ্ঞতায় পরিপূর্ণ। কোন ধর্মই আমার ছিল না তখন, না খ্রিশ্চিয়ানিটি না ইসলাম। আমি প্রথমে কোনটাই জানতাম না ফলে মানতামও না।

আমার দ্বিতীয় পর্যায়টা ছিল বিদ্রোহপূর্ণ। আপনজন কারোর কথাতেই আমি কর্ণপাত করতাম না। সকলকে ত্যাগ করে মত্ত ছিলাম শয়তানি কর্মকাণ্ডে।

২০০৮ সালটি ছিল আমার জীবনে সবচেয়ে ভয়াবহ। চরম ভুগেছি ঐ বছর। নিজের সাথে লড়েছি। জর্জরিত থেকেছি হাজারো সমস্যায়। যেন জীবন গিয়ে সর্বনাশের অতল গহীনে ঠেকেছিল। ঐ বছরই ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় আমার সাত বছরের প্রেমিকের সাথে। সবখানেই আঘাত আর আঘাত। ভাল সব বন্ধুরা পর হয়ে যেতে থাকে, এসে জুটে যতসব খারাপের দল। পরিবারের একজন মানুষের সাথেও ভাল ব্যবহার করতে পারছিলাম না। আর ঐ সময়টাতেই আমি ফাতিমার কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াতাম। নিজের কাছেই নিজেকে অনেক বড় অপরাধী মনে হচ্ছিল। আমি চাইনি ফাতিমা আমাকে ঐ অবস্থায় দেখা দুঃখ পাক।

হঠাৎ মনে হল, এসবের মানে কি? কেন এই অপরাধ বোধ? আমি কেন ফাতিমার কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছি? সে তো আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু; আমি যা করছি তা ভুল হলে কেন তা করছি?” এমন হাজারো প্রশ্ন মনে উদয় হতে লাগল। আমি তখনও জানতাম আমি যা করছিলাম তা আল্লাহ্‌ পছন্দ করেন না এবং আমি ওসব কাজ বন্ধ না করলে নির্ঘাত জাহান্নামে যেতে হবে। এসব ভাবতাম এবং লজ্জিত হতাম। ফাতিমার মাধ্যমেই আমার ইসলামের সাথে যোগসূত্র। তার ওসীলায় ইসলামকে সত্য বলে জানার সুযোগ হয়েছে। তাই আমার কাছে মনে হল আমি আসলে ফাতিমার কাছ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছি না বরং আল্লাহ্‌র কাছ থেকে পালিয়ে বেড়ানোর চেষ্টা করছি যা অসম্ভব।

শেষ পর্যায়টা ছিল আমার জন্য অনেকটা সতর্ক সংকেতের মত। শেষবার দেখা হল আরেকজন মুসলিমের সাথে; তার সাথে দেখা হওয়াটাই বলতে গেলে আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার মত ঘটনা। সে আমাকে অনেকটা জোর করেই খারাপ কাজগুলো থেকে বাধা দিতে শুরু করল। শুনে অবাক লাগতে পারে কিন্তু সত্যি হল আমি ঐ সময়টাতে কারোর কোন কথাই শুনতাম না। আর তাই হয়ত বাধ্য হয়েই সে আমার উপর জোর খাটাতে শুরু করল। আলহামদুলিল্লাহ্‌, সে সময়মত আমার জীবনে হাজির হয়েছিল। আমি তখন যে মানসিক অবস্থার মধ্যে ছিলাম তাতে মনে হয়না যে কোন খ্রিষ্টান, বা ইহুদী এমনকি কোন নাস্তিক আমার ঐ মানসিক খট্‌কা দূর করতে পারত।

ফাতিমার দেয়া ডিভিডিগুলো দেখার দিন থেকেই আমি জানতাম আমি ইসলাম গ্রহণ করব। শুধু একটা শেষ ধাক্কা বাকি ছিল। আল্লাহ্‌ রাব্বুল ‘আলামীন যা করেন ভালোর জন্যেই করেন। তিনি আট বছর আগে আমাকে একটি হিজাব পরা মেয়েকে (যে পরে হল আমার বেস্ট ফ্রেইন্ড) স্বপ্নের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন যে ইসলাম সত্য। তিনি আমাকে দেখিয়েছেন স্রষ্টায় বিশ্বাস না করার কি কষ্ট; তিনি আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন নিষিদ্ধ জীবন যাপন কতটা যন্ত্রণাদায়ক; অবশেষে তিনি আমাকে ইসলাম উপহার দিয়ে দেখিয়েছেন মানব জীবনে প্রকৃত সুখ কোথায়।

অবশেষে আমি ২০০৯ সালের ১লা জানুয়ারি সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য সত্য কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ (সা) তাঁর দাস এবং বার্তাবাহক।” এই সাক্ষ্য দেয়ার সময় আমার সত্যিকারের বন্ধু ফাতিমা ও তার বাবা আমার পাশেই ছিলেন।

আলহামদুলিল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌ আমাকে মুলসিম হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।

 

আর্টিকেলটি ডাউনলোড করুন

Posted on মে 31, 2012, in নও মুসলিমদের ঘটনা and tagged , , , . Bookmark the permalink. 5 টি মন্তব্য.

  1. The story is nice but it’s ending is not proper I think.

রিপ্লাই

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s