সূর্যগ্রহণ(Solar Eclipse)

Download This Article

সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী ঘুরছে আর পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চাঁদ ঘুরছে। সবাই তার নিজ নিজ কক্ষপথে ভ্রমন করে চলছে। পবিত্র কুরআনে সূরা আম্বিয়ার ৩৩নং আয়াতে উল্লেখ আছে যে,

وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ ۖ كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ [٢١:٣٣]

তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।

এই ঘূর্ণনের কালে অনেক সময়ই একের ছায়া অপরের ওপর পড়ে- তা চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়তে পারে আবার পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়তে পারে। এই ছায়া পড়াটাই সাধারণত ‘গ্রহণ’ নামে পরিচিত।

সূর্যগ্রহণঃ প্রদক্ষিনকালে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে চাঁদ অবস্থান করলে পৃথিবীর ওপর চাঁদের ছায়া পড়ে। এই ছায়া বা গ্রহণকেই সূর্যগ্রহণ বলে। সূর্যগ্রহণ মাত্র কয়েক মিনিট স্থায়ী হয় অন্যদিকে চন্দ্রগহণ স্থায়ী হয় কয়েক ঘন্টা ধরে। খালি চোখে এবং ১২ গ্রেডের নিচে কোনো গ্লাস দিয়ে সূর্যগ্রহণ দেখা ঠিক নয়। বিজ্ঞানীরা সূর্য এবং চাঁদের গতিপথ হিসেব করে দেখেছেন, প্রতিবছর ২-৫ টি সূর্যগ্রহণ হতে পারে। নিচে থেকে একটি স্বয়ংক্রিয় File Download করুন। যার দ্বারা নিজ থেকেই জানতে পারবেন বছরে কতবার সূর্যগ্রহণ হয়। তবে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয় কদাচিৎ।

Download(এই ফাইল চালানোর জন্যে KM Player প্রয়োজন হবে)

একটা সময় আরবরা মনে করতো, কারো মৃত্যুবরন হলো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগহণ এর লক্ষন। কিন্তু ১৪ শত বছর আগে আমাদের প্রিয় নবীজি(সাঃ) এই কুসংস্কারপূর্ণ ধারনাকে পুরোপরি পরিহার করেছেন।

আবূ বাকরা(রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমরা নবী(সাঃ)- এর কাছে ছিলাম, এ সময় সূর্যগ্রহণ শুরু হয়। রাসূলুল্লাহ(সাঃ) তখন উঠে দাঁড়ালেন এবং নিজের চাদর টানতে টানতে মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং আমরাও প্রবেশ করলাম। তিনি আমাদেরকে নিয়ে সূর্য প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত দু’রাকা’আত সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি বললেনঃ কারো মৃত্যুর কারণে কখনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। তোমরা যখন সূর্যগ্রহণ দেখবে তখন এ অবস্থা কেটে যাওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করবে এবং দু’আ করতে থাকবে।(সহীহ বুখারী, সূর্যগ্রহণ অধ্যায়)

অন্য একটি হাদীছে আছে যে,

আবূ মাসউদ(রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজি(সাঃ) বলেছেনঃ কোন লোকের মৃত্যুর কারণে কখনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। তবে তা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। তাই তোমরা যখন সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হতে দেখবে, তখন দাঁড়িয়ে যাবে এবং সালাত আদায় করবে।(সহীহ বুখারী, সূর্যগ্রহণ অধ্যায়)

 

 

এই আর্টিকেলটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আপনিও দ্বীনের কাজে সহযোগী হউন।

Posted on ফেব্রুয়ারি 27, 2012, in গ্রহ জগৎ and tagged , , , . Bookmark the permalink. মন্তব্য দিন.

রিপ্লাই

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s